
কাশিমপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরে ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে গাজীপুর প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর এলাকার গিয়াস উদ্দিন সরকার খেলার মাঠে।
ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং ফুটবল অনুরাগীদের উপস্থিতিতে মাঠ প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। খেলাকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জননেতা মীর শাহে আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক জননেতা মো. শওকত হোসেন সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার ঘটাতে এবং তরুণদের মাঠমুখী করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো গেলে নতুন প্রজন্ম সুস্থ ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সহযোগিতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সৌহার্দ্য গড়ে ওঠে। তাই খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
আয়োজকদের মতে, এ ধরনের ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে তরুণ সমাজকে সুস্থ বিনোদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করতেও ভূমিকা রাখবে।
গাজীপুর প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।